মতিঝিলনিউজ ক্রীড়া ডেস্ক : এক বছর আগেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউটে লিভারপুলের মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। তখন প্রিমিয়ার লিগ শিরোপার দ্বারপ্রান্তে ছিল অলরেডরা। আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ইংলিশ ক্লাবটির মুখোমুখি হচ্ছে পিএসজি। তবে এবার লিভারপুলের অবস্থা বেশ খারাপ, লিগ শিরোপা লড়াই থেকে তো ছিটকে গেছেই, শেষ চারে থাকা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে। আজ পার্ক ডি প্রিন্সেসে লিভারপুলের এই দুরবস্থা থেকে সুবিধা নিতে চায় আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরাসি ক্লাবটি।
গত মৌসুমে শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারে লিভারপুলের বিপক্ষে জিতেছিল পিএসজি। গত আসরে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগও ঘরে তুলেছিলেন লুইস এনরিকের শিষ্যরা। পিএসজি এবারও ছন্দ ধরে রেখেছে। লিগ ওয়ানে তারাই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। বর্তমান ফর্মের বিচারে প্যারিসের আজকের লড়াইয়ে স্বাগতিকরাই ফেভারিট। বিশেষ করে গত সপ্তাহে এফএ কাপের শেষ আটে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর লিভারপুলের মনোবলই ধসে গেছে। ওই হারের পর অলরেড বস আর্নে স্লট বলেছিলেন, তাঁর দলের ফাইটিং স্পিরিটেই ঘাটতি রয়েছে।
আর অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে পিএসজির বিপক্ষে নিজেদের উজ্জীবিত করা বেশ কঠিন হবে। হেরে হতাশ ফন ডাইক বলেছিলেন, ‘আমাদের একটা দায়িত্ব রয়েছে, শুধু আমাদের নিজেদের জন্যই নয়, সমর্থকদের জন্য হলেও আমাদের বিশেষ কিছু করতে হবে এই মৌসুমটা স্মরণীয় করে রাখতে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে পিএসজি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আবারও কঠিন একটি লড়াই হতে যাচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আমাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।’ লিভারপুল সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে শুধু একটি জিতেছে, আর চলতি মৌসুমে ১৫ ম্যাচ হেরেছে তারা।
অন্যদিকে ফরাসি ক্লাবটির সমস্যা হলো চোট। তাদের মূল তারকা ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে চোটের কারণে লম্বা সময় মাঠের বাইরে ছিলেন। গত শনিবার মাঠে ফিরে তুলুজের বিপক্ষে দর্শনীয় এক গোল করেছেন তিনি। দেম্বেলেকে ছাড়াই শেষ ষোলোতে চেলসিকে দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল পিএসজি। চেলসিকে উড়িয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন খাভিচা কাভারতাস্কেলিয়া। তবে পিএসজির মিডফিল্ডের মূল ভরসা ভিতিনহা কিন্তু ছন্দহীন লিভারপুলকে নিয়ে বেশ সতর্ক, ‘ফর্মে না থাকলেও লিভারপুল লিভারপুলই। তারা বড় ক্লাব, দারুণ সব ফুটবলার আছে সেখানে। তাই কঠিন একটি ম্যাচ হবে।’ এর মধ্যে লিভারপুলের ফরাসি স্ট্রাইকার হুগো একিতিকিকে সবচেয়ে বড় হুমকি মানছেন ভিতিনহা।
মতিঝিলনিউজ/এআর