1. admin@motijheelnews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

পানি বিপৎসীমার নিচে নামলেও তিস্তার ভাঙন অব্যাহত

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

মতিঝিলনিউজ প্রতিবেদক : তিস্তা নদীর পানি সামান্য কিছু সময়ের জন্য বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল মঙ্গলবার বেলা তিনটায়। সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হয়েছে। তবে পানির তোড়ে নদী তীরবর্তী এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। সেই সাথে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের গ্রোয়েন বাঁধ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ও কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। রংপুর বিভাগের উজানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের ফলে আগামী ৪৮ ঘন্টা তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে করে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

তিস্তার তীব্র স্রোত ধেয়ে আসায় সোমবার বিকেল থেকে গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের গ্রোয়েন বাঁধের তলদেশ দিয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে করে বাঁধ সংলগ্ন এলাকা ও আশপাশের ফসলি জমিতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন আরও তীব্র হচ্ছে। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ১৫ একরের বেশি আবাদি জমি। স্থানীয়দের শংঙ্কা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তিস্তার ডান তীররক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর শহরও ভাঙ্গন ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

কোলকোন্দ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লাল মিয়া বলেন, গতকাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন আসছিল। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৪৫টার মতো জিও ব্যাগ আমরা ফেলেছি। কিন্তু আজকে আবার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন তীব্র হয়েছে। তাই দ্রুত এর একটা স্থায়ী সমাধান দরকার।

গঙ্গাচড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, আমি গতকাল কোলকোন্দ ইউনিয়নের গ্রোয়েন বাঁধ নামক স্থানে গিয়েছিলাম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় সেখানে কিছু জিও ব্যাগও দেওয়া হয়েছে।
মতিঝিলনিউজ/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By bdit.com.bd