1. admin@motijheelnews24.com : admin :
       
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

চিংড়ি খাতের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনা

  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মতিঝিলনিউজ অর্থনীতি ডেস্ক : দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস চিংড়ি খাতের টেকসই সম্প্রসারণে একটি বিশেষ ‘শ্রিম্প ইকোনমিক জোন’ প্রতিষ্ঠা করার প্রস্তাব দিয়েছে মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)। একই সঙ্গে এ খাতের রপ্তানিকে বিলিয়ন ডলারের বাজারে উন্নীত করারও পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। গত রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অংশীজন সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। মিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্প সংগঠন ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। গতকাল সোমবার বিডার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি খাত থেকে মোট ৩৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। এর প্রায় ৭৬ শতাংশ বা ২৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এসেছে চিংড়ি থেকে। গত এক বছরে চিংড়ি রপ্তানি আয় ১৯ শতাংশ বেড়েছে, যা পোশাক খাতের বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণে এই খাতের বিশাল সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দেয়। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মিডার নির্বাহী সদস্য কমোডর তানজিম ফারুক। এতে তিনি চীন, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের সফল মডেল অনুসরণ করে প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে ইনডোর ও ইনটেনসিভ অ্যাকুয়াকালচার বা নিবিড় চাষ পদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, কাঁচামাল রপ্তানির পরিবর্তে ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য ও ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে প্রতি কেজি চিংড়ির আয় পাঁচ গুণ বা তারও বেশি বাড়ানো সম্ভব।

সভায় প্রস্তাবিত শ্রিম্প ইকোনমিক জোনে কঠোর বায়োসিকিউরিটির আওতায় হ্যাচারি, ফিড মিল, ল্যাবরেটরি ও ফার্ম একসঙ্গে স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে নিয়ন্ত্রিত ভ্যানামি চিংড়ি চাষের অনুমতির বিষয়েও আলোচনা করেন অংশীজনেরা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রের মান অনুসরণ করে রিয়েল টাইম মনিটরিং ও পূর্ণ ই-ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, অর্থনৈতিক অঞ্চলটি স্থাপনে বিডা বিনিয়োগ সম্পর্কিত প্রচার ও সহায়তায় নেতৃত্ব দেবে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) জোন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে এবং মিডা নীতিগত সমন্বয় নিশ্চিত করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় আশিক চৌধুরী বলেন, সরকারের লক্ষ্য চিংড়ি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং এ খাতের রপ্তানিকে বিলিয়ন ডলারের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। এ জন্য বেসরকারি খাতের মতামত নিয়ে বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়নের কাজ চলছে। সভায় সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রতি সমর্থন জানান।জোন প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খুলনা, মহেশখালী, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরানিয়ে আলোচনা হয়।
মতিঝিলনিউজ/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By bdit.com.bd