1. admin@motijheelnews24.com : admin :
       
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষায় গ্রামবাসীর মানববন্ধন তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় কাল থেকেই সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে যেতে পারবেন পর্যটকরা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে আমন ধানের পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ রংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ব্রেকিং নিউজঃ
দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষায় গ্রামবাসীর মানববন্ধন তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় কাল থেকেই সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে যেতে পারবেন পর্যটকরা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে আমন ধানের পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ রংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে

  • Update Time : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মতিঝিলনিউজ প্রতিবেদক : চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও অধিক ফলনে জেলায় সোনালি আঁশে সুদিন ফিরেছে। বিগত বছরের থেকে এ বছর বেশি দাম পাওয়ায় কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পাটের অধিক উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। শেরপুরে উৎপাদিত পাটের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। চাষিরা কোথাও পাট কাটছেন, কোথাও আঁটি বেঁধে পানিতে জাগ দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ জাগ দেয়া পাটের আশঁ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া জলাশয়ের পাশে খাটানো বাঁশ ও বিভিন্ন কাঠের আড়ায় পাটের আঁশ ছাড়িয়ে শুকানো ও পাটকাঠি সংগ্রহের কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণীরা। কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়ার আশায় বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়ে মাঠে কৃষকের ব্যস্ততা বেড়েছে দিগুণ। তাই গ্রামীণ জনপদে কৃষক-কৃষাণীরা মেতে উঠেছেন পাট উৎসবে।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, এক যুগ আগেও জেলায় পাট চাষির সংখ্যা ছিল অনেক কম। বর্তমানে হেক্টর প্রতি পাটের গড় উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় চলতি বছর বেড়েছে পাট চাষিদের সংখ্যা। তাই চলতি বছর ১ হাজার ৯১১ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে পাটের আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৯১২ হেক্টরে। এসব জমি থেকে ৪ হাজার ১৫ মেট্রিক টন পাট উৎপাদন হবে।

ইতোমধ্যে জেলায় ৯০ শতাংশ জমির পাট কাটা শেষ হয়েছে। যেখানে বিঘা প্রতি পাটের গড় ফলন ১০ থেকে ১২ মণ। কৃষকরা বলছেন, বিঘা প্রতি পাট চাষে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয় এবং মুনাফা থাকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এছাড়া প্রতি পাটখড়ির আঁটি ৮০ থেকে ১শ’ টাকা দরে বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে।

এদিকে, জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পাটের কেনাবেচা জমে উঠেছে। কৃষকের কাছ থেকে পাট কিনছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পরে এসব পাট যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। তাই বাজারে পাটের চাহিদা থাকায় উৎপাদিত পাটের ন্যায্য মূল্য নিয়ে আশাবাদী কৃষি বিভাগ।

তবে কৃষকেরা জানান, সিন্ডিকেট করে মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্যবসায়ীরা যেন পাটের দাম কমাতে না পারে সেদিকে সরকারের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তা না হলে একদিকে যেমন কৃষকদের পাট চাষে আগ্রহ কমবে। অন্যদিকে পাটের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হবেন পাট চাষিরা।

সদরের কামারেরচরের সাহাব্দির চরের পাটচাষি কাদের মিয়া বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। রোগবালাইও তুলনামূলক অনেক কম ছিল। এছাড়া প্রতি বিঘায় আগের বছরের চেয়ে বেশি পাটের উৎপাদন পেয়েছি। বাজারে ন্যায্য দাম পেলে এবছর আমরা বেশ লাভবান হতে পারব।

সদরের চরমোচারিয়া ইউনিয়নের মুন্সিরচর গ্রামের পাট চাষি সাইদুর রহমান বলেন, পাট চাষে এবার ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি পাটের আঁশের মানও ভালো হয়েছে। সময়মতো বৃষ্টি পাওয়ায় সেচ খরচও কমেছে। তবে উৎপাদন খরচের তুলনায় ন্যায্য দাম নিশ্চিত হলে কৃষকরা আগামীতে পাট চাষে বেশি আগ্রহী হবেন। এজন্য সরকার ও কৃষি বিভাগের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসলিমা খানম নীলু বলেন, চলতি বছর পাটের চাষ বৃদ্ধিতে জেলা পাট অধিদপ্তর থেকে প্রায় ৮ হাজার কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ কেজি করে পাট বীজ প্রদান করা হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, পরিবেশ বান্ধব বলে বাংলাদেশে পাটের বহুমুখী ব্যবহার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দেশে ও বিদেশে পাটের চাহিদা বাড়ছে। বাড়তি মূল্য পাওয়ার কারণে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন এবং পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
মতিঝিলনিউজ/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By bdit.com.bd