মতিঝিলনিউজ প্রতিবেদক : বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ নির্বাসন শেষে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্থান তাকে এই তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। তালিকাটি সাধারণত বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি হিসেবে প্রকাশ করে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ তথ্য জানিয়েছন। তিনি এ অর্জনকে দেশের জন্য ‘ঐতিহাসিক গৌরব, আবেগ ও গণতান্ত্রিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পোস্টে মাহদী আমিন লেখেন, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, একটি কঠিন সময়ে যখন দেশে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত ছিল, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সংকুচিত ছিল, তখন তারেক রহমান দৃঢ়তা ও সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে আসেন। তিনি শুধু নেতৃত্বই দেননি, বরং মানুষের আশা জাগিয়েছেন এবং নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করেছেন।
মাহদী আমিন আরও লেখেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা এখন বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত।
পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, দেশে ফিরে তিনি ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ ঘোষণা করেন এবং একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমন্বিত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। নির্বাচিত সরকারের স্বল্প সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
টাইমের এই স্বীকৃতিকে গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের ফল উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, এটি প্রমাণ করে যে একজন নেতার প্রকৃত শক্তি ক্ষমতায় নয়, বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায়। তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।
এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে তিনি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এটি গণতন্ত্রের বিজয়, জনতার বিজয়, বাংলাদেশের বিজয়।
মতিঝিলনিউজ/এআর