1. admin@motijheelnews24.com : admin :
       
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষায় গ্রামবাসীর মানববন্ধন তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় কাল থেকেই সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে যেতে পারবেন পর্যটকরা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে আমন ধানের পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ রংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
ব্রেকিং নিউজঃ
দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সিরাজদিখানে শিশুদের খেলার মাঠ রক্ষায় গ্রামবাসীর মানববন্ধন তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বগুড়ায় দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় কাল থেকেই সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে যেতে পারবেন পর্যটকরা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে আমন ধানের পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহারে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ রংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা সরকার প্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ইধিকার মতো কী ঢালিউডে সফল হবেন মধুমিতা?

  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

মতিঝিলনিউজ বিনোদন ডেস্ক : ওপার বাংলার শিল্পীদের ঢাকাই চলচ্চিত্রে কাজ করার ইতিহাস নতুন নয়। টলিউডের সোনালি দিনের অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। সময়ের সঙ্গে সেই ধারা কিছুটা কমে গেলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবারো দুই বাংলার যৌথ কাজের আগ্রহ বেড়েছে।

এই নতুন অধ্যায়ে সবচেয়ে আলোচিত নাম নিঃসন্দেহে ইধিকা পাল। ২০২৩ সালে হিমেল আশরাফ পরিচালিত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার। প্রযোজক আরশাদ আদনানের হাত ধরে ঢালিউডে আসা এই অভিনেত্রীকে শুরুতে অনেকেই হালকাভাবে নিয়েছিলেন। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিলেন, কলকাতার একজন টেলিভিশন অভিনেত্রী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকার বিপরীতে কতটা মানিয়ে নিতে পারবেন?

কিন্তু সিনেমা মুক্তির পর পুরো চিত্রটাই বদলে যায়। নিজের অভিনয়, পর্দার উপস্থিতি এবং শাকিব খানের সঙ্গে রসায়নের কারণে ইধিকা দর্শকদের প্রশংসা কুড়ান। রাতারাতি তিনি দুই বাংলায় আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন। শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, অনেকের মতে ‘প্রিয়তমা’ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন করে বড় বাজেটের বাণিজ্যিক সিনেমা নির্মাণের আত্মবিশ্বাসও ফিরিয়ে আনে। এরপর ইধিকা দেবের সঙ্গে ‘খাদান’ এবং বাংলাদেশে ‘বরবাদ’, ‘বহুরূপ’ ও ‘রঘু ডাকাত’-এর মতো একাধিক সিনেমায় যুক্ত হয়ে নিজেকে দুই বাংলার ব্যস্ত নায়িকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

এবার সেই পথেই হাঁটতে যাচ্ছেন ওপার বাংলার আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। মো. ইকবাল পরিচালিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক একেবারে নতুন নয়। ২০১৫ সালে প্রযোজক আরশাদ আদনানের একটি নাটকে অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ ধারাবাহিকে ‘পাখি’ চরিত্রে অভিনয় করে বাংলাদেশেও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এরপর কয়েকবার ঢালিউডে অভিনয়ের গুঞ্জন শোনা গেলেও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।

স্বাভাবিকভাবেই এখন প্রশ্ন উঠছে—মধুমিতা কি ইধিকার মতোই ঢাকার দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারবেন? যদিও এর উত্তর সময়ই দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, শুধু জনপ্রিয়তা নিরিখে ঢালিউডে সাফল্য পাওয়া যায় না। ইধিকার সাফল্যের পেছনে যেমন ছিল শক্তিশালী গল্প, দক্ষ নির্মাণ, শাকিব খানের বিপরীতে বিশ্বাসযোগ্য অভিনয় এবং চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা, তেমনই দর্শকদের প্রত্যাশারও যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছিল। তাই শুধু কলকাতায় জনপ্রিয় হওয়া কোনো শিল্পীর জন্য ঢাকার দর্শকের মন জয়ের নিশ্চয়তা নয়।

মধুমিতার ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা প্রযোজ্য। তিনি নিঃসন্দেহে একজন জনপ্রিয় ও গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী। তার অভিনয় দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন নেই। তবে বাংলাদেশের দর্শক বরাবরই অভিনয়, চরিত্রের গভীরতা এবং গল্পের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদি ‘গুলশানের চামেলি’ শক্তিশালী চিত্রনাট্য, মানসম্মত নির্মাণ এবং মধুমিতার পরিণত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে, তাহলে তিনিও ইধিকার মতো দুই বাংলায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেন।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার—ইধিকার সাফল্য কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। শুরুতে তাকে নিয়ে যতই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হোক, শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের কাজ দিয়েই সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। মধুমিতার সামনেও একই সুযোগ রয়েছে। এখন তার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করা। প্রমাণ করতে হবে, তিনি শুধু টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ নন, বড়পর্দারও একজন শক্তিশালী অভিনেত্রী।

সবশেষে বলা যায়, ইধিকার সাফল্য একটি মানদণ্ড তৈরি করেছে। এখন মধুমিতার সামনে সেই মান ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। তিনি সেই পরীক্ষায় কতটা সফল হবেন, তার উত্তর মিলবে সিনেমা মুক্তির পর। তবে সম্ভাবনা আছে, আর সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব এখন পুরোপুরি মধুমিতা ও ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার টিমের।
মতিঝিলনিউজ/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2024
Theme Customized By bdit.com.bd